নাসির গ্রুপের অর্থ পাচার মামলার তদন্ত করবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুই সদস্যের একটি দল। আজ রোববার উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী ও সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে নিয়ে একটি তদন্ত দল গঠনের অনুমোদন দিয়েছে দুদক। পরিচালক নুর আহাম্মদ থাকবেন তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে।
প্রায় ৫৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে গত ৮ মার্চ নাসির গ্রুপের চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন বিশ্বাসসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারি পরিচালক এস এম রফিকুল ইসলাম।
যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তাঁরা হলেন নাসির গ্রুপের চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন বিশ্বাস, মহাব্যবস্থাপক (আমদানি) মো. আলফাজ উদ্দিন, মহাব্যবস্থাপক (মার্কেটিং) মো. শামীম আহম্মেদ, মহাব্যবস্থাপক (ফাইনান্স ও হিসাব) মো. সিদ্দিকুর রহমান, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ক্রয়) মো. মোবাইদুল ইসলাম, হিসাবরক্ষক মো. শামীম, এ জে মানি এক্সচেঞ্জের মালিক সাইফুল বিশ্বাস, কর্মচারী মো. এমদাদুল, হুন্ডি ব্যবসায়ী মো. ফিরোজ আহমেদ ও তাঁর ছেলে মো. আদিল আহমেদ।
দুদক সূত্র জানায়, আমদানি করা পণ্যের প্রতিটি এলসির বিপরীতে নাসির গ্রুপ বিপুল পরিমাণ মার্কিন ডলার হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করেছে। অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রায় ৫৮ কোটি টাকা অবৈধভাবে পাচারের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং) আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
গত ২০ ডিসেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রফিকুল ইসলাম অভিযোগটি অনুসন্ধান শেষে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেন। ২৬ ডিসেম্বর কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন