গ্রেপ্তার তিনজনের নাম-পরিচয় জানায়নি র‍্যাব। তবে সংস্থাটি বলছে, গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে একজন হত্যায় জড়িত। অপর দুজন সংঘর্ষের সূত্রপাতকারী।

তিনজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে আজ বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক।

গত ১৮ এপ্রিল রাতে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষ বাধে। নিউমার্কেটের দুটি খাবারের দোকানের দুই কর্মীর বিতণ্ডা থেকে এ ঘটনার সূত্রপাত।

এর জের ধরে পরদিন ১৯ এপ্রিল দিনভর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে বিভিন্ন বিপণিবিতানের দোকানমালিক-কর্মচারী ও হকারদের সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে দুজন মারা যান। তাঁদের একজন কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মী নাহিদ হোসেন। অপরজন নিউ সুপারমার্কেটের দোকানকর্মী মোহাম্মদ মোরসালিন। সংঘর্ষে আহত হন অর্ধশত ব্যক্তি।

সংঘর্ষের এ ঘটনায় মোট পাঁচটি মামলা হয়েছে। মোট আসামির সংখ্যা ১ হাজার ৭২৪। এর মধ্যে হত্যা মামলা দুটি, যেগুলোর তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অন্য তিনটি মামলা তদন্ত করছে নিউমার্কেট থানার পুলিশ।

নাহিদকে হত্যার ঘটনায় ইতিমধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েছে ডিবি। তাঁরা হলেন মো. আবদুল কাইয়ুম, পলাশ মিয়া, মাহমুদ ইরফান, মো. ফয়সাল ইসলাম ও মো. জুনাইদ বোগদাদী।

ডিবি জানায়, এই পাঁচজনই ঢাকা কলেজের ছাত্র। সংঘর্ষের সময় তাঁরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে সামনের সারিতে ছিলেন।

ঢাকা কলেজের একাধিক সূত্র জানায়, এই পাঁচজনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন