default-image

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় নিখোঁজ এক কন্যাশিশুর লাশ পাওয়া গেছে ডোবায়। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার খন্দকারটোলা এলাকার একটি ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। আজ রোববার বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে লাশটির ময়নাতদন্ত হয়েছে।

লাশ উদ্ধার হওয়া ওই শিশুর নাম কামনা আক্তার (১২)। সে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। খন্দকারটোলা এলাকায় মামা দুলাল হোসেনের বাড়িতে থেকে কামনা পড়ালেখা করত। তার বাবা কামাল হোসেন ও মা লাকি খাতুনের বাড়ি উপজেলার পাথালিয়া গ্রামে। তাঁরা দুজনই ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করেন।

কামনার মামা দুলাল হোসেন পেশায় কাঠমিস্ত্রি। তিনি বলেন, গতকাল বেলা ১১টা থেকে তাঁর ভাগনিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সব আত্মীয়ের বাড়িতে খোঁজ করেও তার কোনো খবর মেলেনি। পরে সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

শেরপুর থানা–পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সাচ্চু বিশ্বাস বলেন, উদ্ধার করা কামনার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। শিশুটির মৃত্যুর সঠিক তথ্য নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলছে। এ নিয়ে শেরপুর থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক তথ্য জানা যাবে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন