বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই মামলার অন্য ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন একই আদালত। বেকসুর খালাস পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আলমগীরের বাবা সিরাজুল ইসলাম, মা আনোয়ারা বেগম, বোন শিল্পী বেগম, চাচা ওবায়দুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও ফুফু রওশন আরা বেগম।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর আলমগীর হোসেন একই গ্রামের খতিবর রহমানের মেয়ে সুমি আকতারকে বিয়ে করেন। বিয়েতে যৌতুক হিসেবে আলমগীরের শ্বশুর দেড় লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এর মধ্যে ইজিবাইক কেনার জন্য এক লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়।

যৌতুকের বাকি ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের জন্য সুমিকে প্রায়ই আলমগীরসহ তাঁর বাড়ির লোকজন মারধর করতেন। এর মধ্যে ২০১৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাতে সুমিকে মারধর করে শরীরে আগুনের ছেঁকা দিয়ে হত্যা করেন আলমগীর ও তাঁর বাড়ির লোকজন।

এ ঘটনায় সুমির বাবা খতিবর রহমান ডিমলা থানায় জামাতা আলমগীর হোসেনসহ তাঁর পরিবারের সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল মামলার ছয় আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে আলমগীর হোসেনকে অভিযুক্ত করে ডিমলা থানা-পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সুমি আকতার হত্যা মামলায় আজ আলমগীর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন