ডিবি বলছে, ভাগ্নে তানভিরের পরিকল্পনায় খুন হন শামসুদ্দিন। নেশার টাকা জোগাড় ও ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধ করতে চার বন্ধু মিলে ফুফার বাসা থেকে সোনার অলংকার চুরি করতে গিয়ে বাধা পেয়ে এ হত্যার ঘটনা ঘটায়।

আজ সোমবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ‘হত্যার পর তানভির ভারতে পালিয়ে গেছে। আমরা তাঁকে গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।’

পারিবারিক সূত্র জানায়, পুরান ঢাকার লোহার ব্যবসায়ী ছিলেন মো. শামসুদ্দিন আহমেদ (৭৫)। ওই ব্যবসা ছেড়ে দেশের স্বনামধন্য একটি প্লাস্টিক প্রতিষ্ঠানের ডিলারশিপ নেন। তবে বয়স হয়ে যাওয়ায় ছেলেরা ওই ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন