লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ধরলা নদী থেকে এক প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত শনিবার বিকেলে পাটগ্রাম থানার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহত নারীর বাবা পাটগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
লাশটি পাটগ্রাম পৌরসভার স্টেশনপাড়ার গোলাম কবীর ঢালীর ছেলে মেরাজুল ইসলাম ঢালীর স্ত্রী সাথী আক্তারের (২১)।
সাথী আক্তারের পরিবার, এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের মার্চ মাসের শেষের দিকে রংপুরের স্টেশনপাড়া এলাকার দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে সাথীকে বিয়ে করেন মেরাজুল ইসলাম। বিয়ের আট দিন পর সাথীকে নিজ বাড়িতে রেখে তিনি মালয়েশিয়া চলে যান। গত শনিবার সকালে সাথী নিখোঁজ হন। বেলা তিনটার দিকে তাঁর লাশ শ্বশুরবাড়ি থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে মির্জারকোট এলাকায় ধরলা নদীতে দেখতে পান স্থানীয় জেলেরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
সাথীর ভাশুর স্বপন ঢালী জানান, ‘গত শুক্রবার রাতে ঘরেই সাথীকে দেখেছি। কিন্তু গত শনিবার সকাল সাতটার পর থেকে তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজির পর মুঠোফোনে খবর পাই ধরলা নদীতে তাঁর লাশ পাওয়া গেছে।’
পাটগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, গত শুক্রবার রাতে সাথী কাজের মেয়ে লাবলী বেগমের সঙ্গে ঘুমিয়েছিলেন। তাই লাভলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় সাথীর বাবা দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে গত শনিবার রাতে হত্যা মামলা করেছেন।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন