বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শামীম রেজা (৩০), হেলাল উদ্দিন (৩৫), মো. পারভেজ (২৫), ওয়াসিম ইসলাম (২৫), নাইম খান (২৭) ও ফেরদৌস আহমেদ (২৯)। তাঁরা ডাকাতির পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এই চক্রের প্রধান শামীম রেজা।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৪–এর অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মোজাম্মেল হক জানান, শামীম রেজা কিশোর বয়স থেকে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাঁর গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে। তিনি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। ২০০৫ সালে ঢাকায় এসে তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন।পাশাপাশি মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁর নেতৃত্বেই ডাকাত দলটি গড়ে ওঠে। তাঁরা রাতের আঁধারে পুলিশের পোশাক পরে মহাসড়কে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের অর্থ, স্বর্ণালংকার, মুঠোফোন ও অন্যান্য জিনিস ছিনিয়ে নেন।

default-image

মোজাম্মেল হক বলেন, শামীম এখন ২৫-৩০টি অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিক। তাঁর নামে অস্ত্র, মাদক, ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে।তিনি নিজেকে পুলিশ উপপরিদর্শক পরিচয় দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র, নকল আগ্নেয়াস্ত্র, নকল আইডি কার্ড, ইউনিফর্ম, ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি করতেন। পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে তিনি সহযোগীদের নিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করতেন।

তাঁদের নামে সাভারসহ বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন