পুলিশি হয়রানির পর আদালত হয়ে বাড়ি ফিরলেন এক ব্রুনাইপ্রবাসী ও তাঁর দুই স্বজন। আটকের পর মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে ২৫ হাজার টাকা ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
হয়রানির শিকার ওই প্রবাসীর নাম ভগীরথ সরকার। ঢাকার নবাবগঞ্জের শৈল্লা গ্রামে তাঁর বাড়ি। এক যুগের বেশি সময় ধরে তিনি ব্রুনাইয়ে আছেন। তিন বছর পর গত শুক্রবার রােত ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে সিঙ্গাইর হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ভগীরথ। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে বিশ্বজিৎ সরকার ও ভাগনি জামাতা বিশ্বজিৎ মণ্ডল।
ভগীরথের অপর ভাগনি জামাতা সিঙ্গাইর বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী আশীষ কুমার অভিযোগ করে বলেন, রাত ১২টার দিকে তাঁরা সিঙ্গাইরের চারিগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে সিঙ্গাইর থানার এসআই আলমগীর হোসেন তাঁদের গাড়িটি আটক করেন। পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি থাকার পরও ওই কর্মকর্তা তাঁদের মাদকের মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেন। একপর্যায়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এই ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। দর-কষাকষির পর ২৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে গতকাল শনিবার তাঁদের ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মানিকগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে সন্ধ্যায় তাঁরা বাড়ি পৌঁছান।
এসআই আলমগীর হোসেন বলেন, গাড়িতে হই-হুল্লোড়ের শব্দ পেয়ে গাড়িটি আটক করে আরোহীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সে সময় এলোমেলো কথা বলায় তাঁদের আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি কোনো ঘুষ নেননি।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন