বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির গণমাধ্যম বিভাগের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান। তাঁর বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মামলা করা হয়েছে। মাহবুবুরের বাড়ি রাজবাড়ীর সদর উপজেলার মধুরদিয়া গ্রামে।

অভিযান তদারকির সঙ্গে যুক্ত সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, গত ৮ সেপ্টেম্বর মতিঝিল থানার একটি মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় পরিবর্তন হওয়া তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আসামিদের কাছ থেকে টাকা নেন প্রতারক মাহবুবুর। তিনি বলেন, মাহবুবুর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন–সংক্রান্ত কাগজ দেখাতে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ও অর্গানাইজড ক্রাইম মালিবাগের প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়া অফিস আদেশ বানিয়ে তা মামলার আসামিদের কাছে পাঠান। আসামিরা অফিস আদেশের সত্যতা যাচাই করলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। সিআইডি কর্তৃপক্ষ মাহবুবুরের প্রতারণার সুস্পষ্ট প্রমাণ পায়।

default-image

সিআইডির ভাষ্য, মাহবুবুর দীর্ঘদিন নিজেকে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন থানা, ফাঁড়িসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট থেকে তদবির বাণিজ্য করে আসছিলেন। এভাবে তিনি বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সিআইডি কর্মকর্তাদের বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অনেককে চাকরির নিয়োগ-পদোন্নতি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতেন। এ ছাড়া তিনি পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, জমির দালালিসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা করে আসছিলেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন