বিজ্ঞাপন

কেন খুন হলেন সুবল? এ সম্পর্কে উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার বলেন, প্রথমে তাঁদের পরিকল্পনা ছিল, দারোয়ানের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে রাখবেন। বাড়ির মালিক ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে গেলে ওই সময় তাঁরা বাসায় ঢুকে ডাকাতি করবেন। এখানে আসার আগে মাসুদ সুবলকে ফোন দিয়ে বলেছিলেন, এক চাচাতো ভাইকে নিয়ে তিনি একটা রাত থাকতে চান ওখানে। সে অনুযায়ী, ১০ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মাসদু ও মিজানুর সুবলের কক্ষে এসে ওঠেন। সেখানে ইয়াবাও সেবন করেন। পরিকল্পনামতো রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে ঘুমন্ত সুবলের হাত-পা বাঁধার চেষ্টা করলে সুবল জেগে ওঠেন। তখন রুমে থাকা একটি ধারালো কাঁচি সুবলের গলায় ধরে তাঁরা তাঁকে চুপ করে থাকতে বলেন। মিজান একপর্যায়ে সুবলের গলা নাইলনের রশি দিয়ে পেঁচানোর চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তি শুরু হলে মাসুদ সুবলের গলায় ধারালো কাঁচি দিয়ে আঘাত করেন। এতে রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাঁরা সুবলের গলা চেপে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। সুবলের মৃত্যুর পর তাঁরা শক্ত করে তাঁর হাত পা বাঁধেন। পরে পানি দিয়ে নিজেদের শরীরে ও জামাকাপড়ে থাকা রক্তের দাগ ধুয়ে মুছে ফেলার চেষ্টা করেন। খুনের পর তাঁরা ডাকাতির পরিকল্পনা বাদ দিয়ে আবারও সিরাজগঞ্জে চলে যান।

পুলিশ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে সুবলের পরনে থাকা জামার পুড়িয়ে দেওয়া অংশবিশেষ ও রক্তমাখা জামা উদ্ধার করে। তা ছাড়া গ্রেপ্তারদের স্বীকারোক্তিমতে ঘটনাস্থল থেকে এক পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিটিও উদ্ধার হয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন