default-image

ওপরে নাইলন রশি, স্কচটেপ ও বিছানার নতুন চাদর দিয়ে মোড়ানো একটি বাক্স পড়েছিল এজহার মিয়া সেতুর গোড়ায় সড়কের পাশে। বাক্সটি দেখতে পেয়ে সকাল থেকেই স্থানীয় লোকজনের মধ্যে নানা কৌতূহল। সবার ধারণা ছিল কোনো প্রবাসীর চালানের প্যাকেট হবে এটি। যাওয়ার সময় হয়তো গাড়ি থেকে অজান্তে ছিটকে পড়েছে। তবে প্যাকেটটি খুলতে কেউ সাহস করেনি। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ এসে প্যাকেট খুলতেই সবাই চমকে ওঠে। দেখা গেল এর ভেতরে চটের বস্তাবন্দী এক তরুণীর বিবস্ত্র লাশ।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা একটায় চট্টগ্রামের রাউজানের পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শফিকুল ইসলাম চৌধুরী সড়কের বদু মুন্সিপাড়া এলাকার ঘটনা এটি। পুলিশের ধারণা, মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। মেয়েটির বয়স ১৮ থেকে ২০ বছর হতে পারে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, প্যাকেটের ভেতরে সাদা পলিথিন, তার ভেতরে একটি চটের বস্তায় মোড়ানো বিবস্ত্র তরুণীর লাশ। গলায় ছিল চার–পাঁচ স্তরের নাইলন রশির ফাঁস। রাউজান–রাঙ্গুনিয়া পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, তরুণীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়ার দাগ রয়েছে। মনে হচ্ছে কোনো কাজের মেয়ে হতে পারে। তাঁর ধারণা, মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেপায়েত উল্লাহ বলেন, তদন্ত করে মেয়েটির পরিচয় শনাক্তের জন্য দেশের সব থানায় বার্তা ও ছবি পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন