পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেছেন, ‘পেট্রলবোমা মেরে মানুষ খুন করা কোনোক্রমেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ হতে পারে না। এটা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। এদের সমূলে উৎপাটন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এক পাও পিছু হটবে না। প্রয়োজনে তাদের হত্যা করা হবে।’
গতকাল সোমবার দুপুরে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আহম্মদপুর এম এইচ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে ইকবাল বাহার চৌধুরী এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার হেলাল উদ্দিন আহম্মদ, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) জিএস কর্নেল আদিল চৌধুরী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রাজশাহীর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল ফেরদাউস শাহাব, এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক (রাজশাহী অঞ্চল) গোলাম মোক্তাদির ও নাটোরের পুলিশ সুপার (এসপি) বাসুদেব বনিক।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ (৩) ধারার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইকবাল বাহার চৌধুরী তাঁর বলেন, ‘যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত বা মৃত্যুদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধ করেছেন, যিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত বা যাবজ্জীবন দণ্ডযোগ্য অপরাধ করেছেন, তাঁকে গ্রেপ্তার করার জন্য গুরুতর আঘাত থেকে শুরু করে হত্যা করার ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের রয়েছে।’
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার হেলাল উদ্দিন আহম্মদ বলেন, ৬ জানুয়ারি ২০-দলীয় জোট রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সাধারণ মানুষের ওপর যে হরতাল-অবরোধ চাপিয়ে দিয়েছে, তাতে কেউ সাড়া দেয়নি। তাই তাঁদের শায়েস্তা করতে পেট্রলবোমা মারা হচ্ছে। দেশের ৯৯ ভাগ মানুষ এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। যারা সন্ত্রাস করবে তাদের হাত-পা ভেঙে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করার জন্য তিনি এলাকাবাসীকে অনুরোধ করেন। সমাবেশে উপস্থিত এলাকাবাসীর পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন