ফেনীতে জনতার পিটুনিতে এক ডাকাত (২৮) নিহত হয়েছে। গত রোববার দিবাগত রাতে সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের ভালুকিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত রোববার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে ভালুকিয়া গ্রামের নতুন ভূঁঞাবাড়িতে ১০-১২ জন সশস্ত্র ডাকাত হানা দেয়। ডাকাতেরা বাড়ির আলমগীরের ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এ সময় ডাকাতেরা গৃহকর্তা আলমগীর ও তাঁর ভাই রয়েল ভূঁঞাকে পিটিয়ে আহত করে। এরপর ডাকাতেরা তিন বছরের একটি শিশুর গলায় ছুরি ধরে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে আলমারির চাবি আদায় করে। পরে ডাকাতেরা টাকা, স্বর্ণালংকার, মুঠোফোন ও জিনিসপত্র লুটে নিয়ে যায়। ডাকাতেরা চলে যাওয়ার সময় ঘরের লোকজন চিৎকার শুরু করে। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ডাকাতদের ধাওয়া করে। এ সময় এক ডাকাত পুকুরে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে পুকুর থেকে তুলে গণপিটুনি দেয়।

পুলিশ জানায়, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ডাকাতকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। তার লাশ ফেনী সদর হাপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

গৃহকর্তা মো. আলমগীর ও তাঁর ভাই রয়েলকে ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গৃহকর্তা মো. আলমগীরের দাবি, ডাকাতেরা ৭০ হাজার টাকা, আট ভরি স্বর্ণালংকার, চারটি মুঠোফোন ও জিনিসপত্রসহ প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল লুটে নিয়ে গেছে।

ফেনী সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহিনুজ্জমান জানান, এ ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন