বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী এক ব্যক্তির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাজধানীর কল্যাণপুর থেকে চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন মো. কবির হোসেন, শামসুল কবীর ও ইয়াছিন আলী। তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই ২৫৭টি, ডেবিট কার্ড ২৩৪টি, মুঠোফোন ৮টি ও ১১টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ শনিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে ডিবি। সেখানে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার জানান, ড্রিম জবস ইন কানাডা নামে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতারণা করছিল। চাকরির প্রলোভনের পাশাপাশি উপহার পাঠানোর কথা বলে অর্থ আদায় করছিল তারা। এখানেই শেষ নয়। বিদেশ থেকে আসা কথিত উপহারসামগ্রী বিমানবন্দর থেকে ছাড়িয়ে আনতে কাস্টমস কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করে অর্থ আদায় করত তারা।

চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ আদায় করছিলেন জানিয়ে হাফিজ আক্তার বলেন, ভিন্ন ভিন্ন নামে ব্যাংক হিসাব খোলা হচ্ছিল। এসব হিসাবধারী কমিশনের বিনিময়ে নিজের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাব খুলতে থাকেন এবং ঘন ঘন বাসা ও মুঠোফোন নম্বর পরিবর্তন করেন।

ডিবি কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তার কবীর হোসেনের কাজ ছিল অর্থ সংগ্রহ করে ‘বসের’ হাতে পৌঁছে দেওয়া। কবীর হোসেনের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন ইয়াসিন। আর শামসুল কবীর হলেন ব্যাংক হিসাবধারী। তাঁরা সবাই মাসিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতনে বিভিন্ন স্তরে কাজ করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। তবে এখনো বসকে শনাক্ত করা যায়নি।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন