বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন মোহাম্মদ আলী ডালিম, আতিকুর রহমান ও আলম হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নগরের খুলশী এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ শুক্রবার বিকেলে নগরের পতেঙ্গায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে আন্তর্জাতিক একটি চক্র মানুষের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে কিডনি ও লিভার পাচার করে আসছে। জেলার সাতকানিয়ার সাইফুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগীর সন্ধান পায় র‍্যাব। তিনি র‍্যাবকে জানান, সাড়ে চার লাখ টাকায় তাঁকে কিডনি বিক্রিতে উদ্বুদ্ধ করে চক্রটি। এরপর তাঁকে নগরের নগরের খুলশী এলাকায় নিয়ে তাঁর পাসপোর্টে ভারতের ভিসা লাগাতে সহযোগিতা করে। পরে র‍্যাব অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে চক্রের মূল হোতা মোহাম্মদ আলী ডালিমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই র‍্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ভারতে অবস্থান করে মো. শাহীন নামের চক্রের আরেক সদস্য। তাঁরা দাতাদের চার থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা করে দেন। অথচ চক্রটি রোগীদের কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা নিয়ে থাকে।

র‍্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এ ইউসুফ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই চক্রটি এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেওয়ার জন্য ভারতে পাচার করেছে। এ ঘটনায় নগরের খুলশী থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা হয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন