বগুড়ায় ককটেল বানাতে গিয়ে এক যুবকের আঙুল উড়ে গেছে। তিনি সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী। এদিকে বগুড়ার তিনমাথা এলাকা থেকে পেট্রলবোমাসহ দুজনকে আটক করেছে জনতা।

বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসলাম আলী প্রথম আলোকে বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার ধাওয়াকোলা গ্রামে নিজ বাড়িতে ককটেল বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে খায়রুল ইসলাম নামের ওই শিক্ষার্থীর হাতের তিনটি আঙুল জখম হয়। এর মধ্যে একটি আঙুল উড়ে গেছে। পরে তাঁকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. মোজাম্মেল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি, খোঁজখবর নিয়ে পরিচয় জানা যাবে।’

পেট্রলবোমাসহ দুজন আটক: বগুড়ার তিনমাথা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে যানবাহনে নাশকতার প্রস্তুতিকালে দুটি হাতবোমাসহ ইনসান আলী এবং আনোয়ারুল ইসলাম নামের দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে তাঁদের সদর থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফাঁপোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘পেট্রলবোমা হাতে কয়েকজন যুবক যানবাহনে হামলার জন্য তিনমাথা এলাকায় অপেক্ষা করছিল। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় তাদের দুজনকে আটক করা হয়।’

বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, পেট্রলবোমাসহ আটক দুই ব্যক্তি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তাঁরা বিএনপির কর্মী। তবে ওই দুই ব্যক্তির দাবি, তাঁদের কাছে পেট্রলবোমা ছিল না। তাঁদেরকে পেট্রলবোমাসহ ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর শাহে আলম প্রথম আলোকে বলেন, আন্দোলন বানচাল করতে সরকারের এজেন্টরা এসব নাশকতা করছে। পেট্রলবোমাসহ আটক বা ককটেল বানাতে গিয়ে কেউ আহত হয়ে থাকলে তাদের সঙ্গে বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন