default-image

বগুড়ার ধুনট উপজেলা বাক্প্রতিবন্ধী নারীকে (২৬) ঘরে ঢুকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় আবুল কালাম (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে যান। পরে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় শেরপুর উপজেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘরে ঢুকে ওই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির একটি কক্ষে একাই ঘুমিয়ে ছিলেন ওই বাক্প্রতিবন্ধী নারী। পাশের একটি কক্ষে ছিলেন তাঁর মা। এই সুযোগে আবুল কালাম ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে বাক্প্রতিবন্ধী ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় তাঁর পাশের কক্ষ থেকে মেয়েটির মা কান্নাকাটি শুনে ওই কক্ষে ঢুকে কালামকে আটকের চেষ্টা করেন। কলাম তখন তিনি পালিয়ে যান।

বিজ্ঞাপন

খবর পেয়ে শুক্রবার রাত আটটার দিকে ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর মা বাদী হয়ে আবুল কালামের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে গতকাল সন্ধ্যার পর পাশের শেরপুর উপজেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

তবে থানাহাজতে আটক আবুল কালামের ভাষ্য, ‘আমি চক্রান্তের শিকার হয়েছি।’ তবে কী ধরনের চক্রান্ত—এ বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলেননি।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান বলেন, ধর্ষণের শিকার বাক্প্রতিবন্ধী ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কালাম ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন বলে ওসি জানান।

মন্তব্য পড়ুন 0