বিজ্ঞাপন

অভিযোগের বাদী শাহজাহান আলী বলেন, ঈদের নামাজ শেষে ঈদ আনন্দ উদ্‌যাপনে গ্রামে সাউন্ড বক্স বাজান স্থানীয় কয়েকজন তরুণ। এতে বাধা দেন গ্রামের কয়েকজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেলা তিনটার দিকে প্রতিপক্ষ ছানোয়ারসহ তাঁদের লোকজন গ্রামের একটি চায়ের দোকানে শিহাবকে ডেকে নিয়ে যান। এ সময় বাগ্‌বিতণ্ডা হলে ছানোয়ারসহ প্রতিপক্ষের লোকজন শিহাবকে মারধর করেন। একপর্যায়ে চায়ের দোকানের কেটলিতে জ্বাল দেওয়া গরম পানি শিহাবের পিঠে থেকে নিচে ঊরু পর্যন্ত ঢেলে দেন। এতে শিহাবের শরীর গরম পানিতে ঝলসে চামড়া উঠে যায়।

শাহজাহান আলী আরও বলেন, তাঁর ভাতিজা শিহাব গ্রামে উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর সঙ্গে জড়িত নন। অন্যায়ভাবে ছানোয়াররা তাঁকে ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে গরম পানি দিয়ে শরীর ঝলসে দিয়েছেন। শিহাব গ্রামের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান।

স্থানীয় লোকজন বলেন, গ্রামের একটি চায়ের দোকানের ভেতরে শিহাবের সঙ্গে প্রতিপক্ষর সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে কে শিহাবের শরীরে গরম পানি ঢেলে দিয়েছেন, তা তাঁরা দেখতে পারেননি। তবে শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনার পর প্রতিপক্ষর লোকজনকে গ্রামে ঘুরতে দেখা যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গুরুতর আহত অবস্থায় শিহাবকে শুক্রবার বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। তাঁরা শরীরের অন্তত ৫০ ভাগ ঝলসে গেছে। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সন্ধ্যার আগেই উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর থানার এজাহার নথিভুক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন