বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, উদ্ধার মদগুলো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল মদ। অভিযানে ভেজাল মদ বানানোর সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন উপাদান যেমন রং, মেথিলেটেড স্পিরিটও পাওয়া গেছে।

ভেজাল মদপানে বিভিন্ন সময় মানুষ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটছে বলেও জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাটারার একটি কারখানায় তৈরি ভেজাল মদ খেয়ে কয়েকজন মারা গিয়েছিলেন। এমন আরও একটি ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছিল। সাধারণ মানুষকে আমরা সতর্ক করে বলছি, যাঁরা বিভিন্ন সেলসম্যানের কাছ থেকে মদ সংগ্রহ করেন, তাঁরা যেন সেটি না করেন। এই কারখানাটি ভাটারার সেই কারখানার মতোই। এখানে বড় ড্রাম থেকে বোতলে ভরা হচ্ছে। বোতলগুলো ভাঙারির দোকান থেকে সংগ্রহ করা হয়।

বিভিন্ন মদের বারের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের যোগাযোগ আছে উল্লেখ করে মাহবুব আলম জানান, বিভিন্ন সময় তাঁরা বার থেকে মদ সংগ্রহ করে গ্রাহককে সরবরাহ করতেন। এভাবে গ্রাহকদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ আছে। এসব গ্রাহককে ভেজাল মদ সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।

গত জানুয়ারিতে বাড্ডার একটি কারখানায় তৈরি ভেজাল মদপান করে ভাটারায় তিনজন, ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকায় একজন ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা ভাটারা থানাধীন খিলবাড়িরটেক এলাকার এক বাসার দ্বিতীয় তলায় নকল মদের কারখানা খুলে বসেছিলেন। পরে গোয়েন্দা পুলিশ এই চক্রের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন