default-image

ব্যবসায়ীদের মধ্যে সুসম্পর্ক সৃষ্টির জন্য নাম দেওয়া হয়েছিল ‘বন্ধুহাট’। কিন্তু হাটের শ্রীবৃদ্ধির কথা বলে দুই ব্যবসায়ীর ছয়টি দোকানের সামনে সীমানাপ্রাচীর তুলে দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে শত্রুতা।
হাটের প্রতিষ্ঠাতারা এই কাজ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সৃষ্টিশীল প্রকল্প উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠিত এই বন্ধুহাটটি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কুল্লাপাড়ায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুল্লাপাড়া হাটে প্রায় অর্ধশত স্থায়ী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া সপ্তাহে সোমবার ও বৃহস্পতিবার এখানে খোলাবাজার বসে। এখানে সবজি, মাছসহ নানা পণ্য কেনাবেচা হয়।
স্থানীয় আমিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, ২০১৬ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোয়ার হোসেন মোল্লা এই বাজারে আসেন। তিনি সৃষ্টিশীল কাজের অংশ হিসেবে কুল্লাপাড়া বাজারটিকে ‘বন্ধুহাট’ নামকরণ করে এখানে কিছু উন্নয়নের কাজ করার ঘোষণা দেন। ইউএনওর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এই সৃষ্টিশীল কাজে বাজার উন্নয়নে ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাজারে উন্নয়নকাজের জন্য একটি প্রকল্পও গ্রহণ করা হয়। স্থানীয় রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম ওই প্রকল্পের সভাপতি। তিনিই ওই উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেন।
ওই বাজারের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বন্ধুহাট শ্রীবৃদ্ধির নামে প্রথমেই শুরু হয় শত্রুতা। বাজারের প্রতিষ্ঠাতারা দক্ষিণ পাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে প্রাচীর নির্মাণ করেন। দোকানিরা বাধা দিতে গেলেও কোনো কাজ হয়নি। তাঁরা বাজারের ব্যবসায়ী আজিজুল ইসলাম ও আবদুস সাত্তারের ছয়টি দোকানের সামনে সীমানাপ্রাচীর দিয়েছেন।
বন্ধুহাট প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মহিদুল ইসলাম জানান, বাজারের দক্ষিণ প্রান্তে জমি দখলের চেষ্টা চলছিল। এ কারণে দক্ষিণে প্রথমে সীমানাপ্রাচীর দেওয়া হয়েছে। দুই ব্যবসায়ীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই ভবনটি আসলে বাড়ি তৈরির জন্য শুরু করেছিলেন, পরে তাঁরা দোকান বানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0