default-image

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ইউনিট-৪-এর সহকারী রেজিস্ট্রার মাসুদ খানের ওপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। আজ শনিবার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম।

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় গত বৃহস্পতিবার রাতে মাসুদ খান নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সম্পাদকের নাম উল্লেখসহ ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার খবর পেয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে আকস্মিক কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে হাসপাতালের পরিচালক, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেন তাঁরা।

আজ দুপুরে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সজল পান্ডে প্রথম আলোকে বলেন, আজ দিনের মধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই ঘটনার সুরাহা করার আশ্বাস দিয়েছে। সঠিক সুরাহা না হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে খোঁজখবর নিতে গতকাল শুক্রবার দুপুরে কোতোয়ালি থানায় যান হাসপাতালের পরিচালক মো. বাকির হোসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও থানায় যান। বাকির হোসেন বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আইনগত করণীয় নির্ধারণে তিনি থানায় গিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে থানার ওসির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। মামলার বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ওসি।

২০ অক্টোবর মাসুদ খানের ওপর হামলার ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিনি কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ২১ অক্টোবর পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। ২২ অক্টোবর ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা মাসুদ খানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে পরিচালকের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়ে তাঁর বিচার দাবি করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষের অভিযোগ তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

মন্তব্য পড়ুন 0