বর-কনে স্কুলে পড়ে, ইউএনও থামালেন বিয়ে

বিজ্ঞাপন
default-image

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের দুই স্কুল ছাত্রছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মতিউর রহমান খান। বর দশম শ্রেণি ও কনে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বাল্যবিবাহটি বন্ধ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রের সঙ্গে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে ঠিক হয়। আজ দুপুরে বাল্যবিবাহটির আয়োজন করা হয়। সে অনুযায়ী অতিথিদের জন্য রান্নাবান্না থেকে শুরু করে বিয়ের সব ধরনের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেন কনের অভিভাবকেরা।
খবর পেয়ে ইউএনও মো. মতিউর রহমান খান ঘটনাস্থলে হাজির হন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বর ও কনের বাবাকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। পাশাপাশি ওই ছাত্র ও ছাত্রীর বিয়ের বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না মর্মে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করেন।
ইউএনও মো. মতিউর রহমান খান প্রথম আলোকে জানান, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ অনুসারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে। এমন বাল্যবিবাহের খবর পেলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করবে স্থানীয় প্রশাসন। বাল্যবিবাহ নির্মূলে সবাইকে নিজেদের অবস্থান থেকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন