পটুয়াখালীর বাউফলের পাবলিক মাঠে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া নিয়ে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সরকারদলীয় চিফ হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনও ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা শহীদ মিনারে ফুল দিতে যান।
ওই সময় ছাত্রলীগের পক্ষে চিফ হুইপ-সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতা মাহামুদ হাসান ওরফে রুবেল চার-পাঁচজন কর্মী নিয়ে ফুল দিতে যান। এতে বাধা দেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ রাহাত। স্থানীয়ভাবে তাঁরা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার মেয়র মো. জিয়াউল হক-সমর্থিত। ওই সময় ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে রুবেলকে শহীদ মিনার থেকে হটিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আওয়ামী লীগের নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এরপর বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা সেখানে ফুল দেন।
সাইদুর রহমান বলেন, মাহামুদ হাসান ছাত্রলীগের নেতা না হয়েও ছাত্রলীগের পক্ষে, তাও আবার ছাত্রলীগের নেতাদের উপস্থিতিতে আগে ফুল দিতে গিয়ে অন্যায় করেছেন। এটা প্রতিহত করা হয়েছে।
মাহামুদ হাসান বলেন, ‘আ স ম ফিরোজের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের রাজনীতি করছি। এ কারণেই ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছি। অন্যায় কিছু করিনি। একটি মহল শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন