রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলি ইউনিয়নে ডুলুবন্যা ও দক্ষিণ বঙ্গলতলি সীমান্তবর্তী এলাকায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও জনসংহতি সমিতির (সন্তু) মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি ইউপিডিএফের সদস্য বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে ডুলুবন্যা ও দক্ষিণ বঙ্গলতলি সীমান্তবর্তী এলাকায় ইউপিডিএফের আট-দশজন সদস্য অবস্থান করছিল। গতকাল শুক্রবার সকাল পৌনে ছয়টায় জনসংহতি সমিতির (সন্তু) সাত-আটজন কর্মী তাঁদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে। তাঁরা পাল্টা গুলি ছুড়লে উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা গুলিবিনিময় হয়। এ সময় ইউপিডিএফের সদস্য পাপন চাকমা (৩৮) ওরফে রনি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। পাপনের বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মলয় চাকমা নামে আরও একজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
ইউপিডিএফের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক নিরন চাকমা বলেন, ‘আমাদের সদস্য নিহত হওয়ার বিষয় আমার জানা নেই। তা ছাড়া ইউপিডিএফের কোনো সশস্ত্র সংগঠন নেই।’ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার তাঁদের দল জড়িত নয় বলে তিনি দাবি করেন।
জনসংহতি সমিতি (সন্তু) বাঘাইছড়ি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ত্রিদীপ চাকমা বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে শুনেছি, চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। এতে চুক্তির বিপক্ষের একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন।’
বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক বলেন, ‘বঙ্গলতলি এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার খবর শুনেছি। তবে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারিনি। এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় ঘটনাস্থলেও যাওয়া সম্ভব হয়নি।’

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন