default-image

ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে সহকর্মী বান্ধবীর বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বেড়াতে গিয়ে গত শুক্রবার রাতে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী পোশাককর্মী। এ ঘটনায় করা মামলায় পরের দিন শনিবার রাতে সোহেল মিয়া নামের (৪০) এক যুবক ও ভুক্তভোগী কিশোরীর বান্ধবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোহেল মিয়ার বাড়ি পার্শ্ববর্তী পলাশবাড়ী উপজেলায়। আর গ্রেপ্তার কিশোরীর বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায়।
পুলিশ জানায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কিশোরী স্বামীসহ নারায়ণগঞ্জে ভাড়া বাসায় থেকে পোশাক কারখানায় কাজ করেন। একই বাসায় ভাড়া থেকে পোশাক কারখানায় কাজ করে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী। একই বাসায় থাকার কারণে দুই কিশোরীর মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক হয়। গত ২৭ অক্টোবর তারা দুজন গাইবান্ধায় বেড়াতে যায়।

শুক্রবার সকালে সোহেল ওই কিশোরীকে মোটরসাইকেলে করে ঘুরতে নিয়ে যান। রাতে সোহেলসহ চার থেকে পাঁচজন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। রাত একটার দিকে স্থানীয় লোকজন ওই কিশোরীর মুখে ঘটনা শুনে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। শনিবার রাতে সোহেল ও কিশোরীর বান্ধবীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে আজ রোববার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসেন বলেন, নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে উদ্ধারের পর গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার রাতে কিশোরী নিজেই বাদী হয়ে সোহেল মিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। শনিবার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0