default-image

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ১৩ সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রোববার বিকেলে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা ধানমন্ডি থানায় এ মামলা করেন।

মামলার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক কামরুল আহসান। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার এজাহারে চক্রের সদস্যদের একজন বাদে বাকিদের কোনো পেশা নেই বলে উল্লেখ করে বলা হয়, তারা যে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন, তা অপরাধের মাধ্যমে।

এর আগে গত সপ্তাহে সিআইডি প্রথম আলোকে জানিয়েছিল, তারা প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্যদের ৭ জনের প্রায় ৩৩ কোটি টাকা মূল্যের জমির খোঁজ পেয়েছে। এ ছাড়া চক্রের গ্রেপ্তার হওয়া ১৩ সদস্যের মোট ১৩৫টি ব্যাংক হিসাবে ৬৫ কোটি টাকা জমা পড়ার তথ্যও এসেছে সিআইডির হাতে। এর মধ্যে ৬৪ কোটি টাকা তাঁরা ইতিমধ্যে তুলেও নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

সিআইডি বলছে, ২০০৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছরে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করেই চক্রের সদস্যরা বিপুল সম্পদের মালিক হন। বেশি সম্পদ গড়েছেন চক্রের দুই হোতা স্বাস্থ্যশিক্ষা ব্যুরোর মেশিনম্যান আবদুস সালাম খান ও তাঁর খালাতো ভাই জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া ওরফে মুন্নু।

শুধু সালাম-জসিম নন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই চক্রের অন্তত আট সদস্যের নিজেদের মধ্যে আত্মীয়তা রয়েছে। জসিমের স্ত্রী শারমিন আরা জেসমিন, জসিমের বড় বোন শাহজাদি আক্তার ওরফে মিরা, দুই ভগ্নিপতি আলমগীর হোসেন ও জাকির হোসেন, জসিমের ভায়রা সামিউল জাফর ওরফে সেটু এবং ভাতিজা এম এইচ পারভেজ খান চক্রের সদস্য। এর মধ্যে শাহজাদি ছাড়া বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।

পুলিশ জানায়, ধানমন্ডি থানায় অর্থ পাচার আইনে করা মামলার তদন্ত করবে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন