লালমনিরহাট সদর উপজেলায় এক তরুণীকে বিয়ের কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আরও অভিযোগ, তরুণীর পরিবার জড়িত ব্যক্তিকে আটকে রাখলেও এক ইউপি সদস্য তাঁকে পালাতে সহায়তা করেছেন। গত রোববার রাতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সদর থানায় মামলা করেছেন ওই তরুণী।
মামলার এজাহার ও তরুণীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানার কামাল খামার (দুর্গাপুর) গ্রামের হাবিব মিয়া ওরফে দুলুর (২৩) সঙ্গে তরুণীর পরিবারের পূর্বপরিচয়। ওই সম্পর্কের কারণে হাবিব রোববার বেড়াতে আসেন। রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে গভীর রাতে তরুণীকে একটি কক্ষে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন হাবিব।
মেয়েটির মা অভিযোগ করেন, হাবিবকে তাঁরা সারা রাত বাড়িতে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে সোমবার সকালে উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবুল কাশেম, দফাদার রুবেল হোসেনসহ পাঁচ-সাতজন তাঁদের বাড়িতে আসেন। তাঁরা সব শুনে হাবিবের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার কথা বলে দুজনকে ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যান হাবিব।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য আবুল কাশেম দাবি করেন, তিনি ইউপি কার্যালয়ে দুজনকে রেখে চলে যান। পরে শুনতে পান, এলাকার সন্ত্রাসী প্রকৃতির কিছু যুবক হাবিবকে ছাড়িয়ে নেন। হাবিবকে পুলিশের কাছে দেওয়া হলো না কেন, সেই প্রশ্নের অবশ্য কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, সদর হাসপাতালে গতকাল মঙ্গলবার মেয়েটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন