বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা জানান, ওই দোকানির কাছে ১ হাজার ১৫ লিটার খোলা সয়াবিন তেল পাওয়া গেছে। এসব তেল জব্দ করে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল বুধবার চট্টগ্রামের কর্নেলহাট বাজারের ব্যবসায়ী আইয়ুব আলীকে বাড়তি দামে তেল বিক্রির অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আর গত সোমবার পাহাড়তলী বাজারের দিল্লি লেন এলাকার ১টি দোকানের ৩টি গুদাম থেকে ১৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করে অধিদপ্তর। পরে ওই দোকানিকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ তেল আশপাশের দোকান ও ভোক্তাদের কাছে নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়।

গত রোববার নগরের ২ নম্বর গেটের কর্ণফুলী কমপ্লেক্সের খাজা স্টোর নামের একটি দোকানের নিচে থাকা গুদামে এক হাজার লিটার তেলের খোঁজ পায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। পরে এসব তেল আশপাশের দোকানি ও ক্রেতাদের কাছে বোতলের গায়ের দামে বিক্রি করা হয়।

গত শনিবার রাতে ফটিকছড়ির ভূজপুর থানার বাগানবাজার ইউনিয়নের দক্ষিণ গজারিয়া গ্রামের এক দোকানির বাসা থেকেও ২ হাজার ৩২৮ লিটার তেল জব্দ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন ফটিকছড়ি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আলমগীর। তাঁকে সহযোগিতা করেন স্থানীয় ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা।

৫ মে বাণিজ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর সয়াবিন ও পাম তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে ভোজ্যতেল পরিশোধন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তাতে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের খুচরা দাম নির্ধারণ করা হয় ১৯৮ টাকা, যা আগে ছিল ১৬০ টাকা। আর ৫ লিটারের বোতলের দাম ঠিক করা হয় ৯৮৫ টাকা, যেটির আগের দাম ছিল ৭৬০ টাকা। এ ছাড়া খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮০ টাকা এবং খোলা পাম তেল প্রতি লিটার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আগে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৩৬ টাকা ও পাম তেলের দাম ছিল ১৩০ টাকা।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন