মরিচখেতে চাষ হচ্ছিল ১৬টি গাঁজার গাছ

বিজ্ঞাপন
default-image

বাড়ির পাশের ৭ শতাংশ জমিতে মরিচ চাষ করেছিলেন ইসলাম মণ্ডল (২৯)। সেখানেই কেটে যেত তাঁর দিনের অধিকাংশ সময়। ফলন বেশি পাওয়ার আশায় খেতে এতটা সময় দিচ্ছেন বলেই ধারণা করেছিলেন গ্রামবাসী। তবে শেষে দেখা গেল সেই মরিচখেতে বেড়ে উঠেছে ১৬টি গাঁজার গাছ।

খবর পেয়ে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইসলাম মণ্ডলের মরিচখেতে অভিযান চালিয়ে আবাদ করা ৬টি গাঁজাগাছ জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গাঁজা চাষের অপরাধে ইসলাম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। থানা সূত্রে জানা গেছে, জব্দ গাঁজাগাছের ওজন ৭ কেজি ৮৫০ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাঁর নেতৃত্বে মহাদেবপুর থানার পুলিশের একটি দল ওই মরিচখেতে অভিযান চালায়। সেখানে গিয়ে দেখতে পান, একটি মরিচখেতের মাঝখানে কয়েকটি গাছ উঁচু হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কাছে গিয়ে গাছগুলো গাঁজার বলে দেখতে পান। পরে মরিচখেত থেকে ১৬টি গাঁজার গাছ উদ্ধার করে এবং খেতের মালিক ইসলাম মণ্ডলকে আটক করে পুলিশ।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, ইসলামকে মরিচখেতের ভেতরে বেশি সময় কাটাতে দেখেছেন গ্রামের মানুষ। প্রথমে গ্রামের লোকজন মনে করেন হয়তো ভালো ফলনের আশায় ইসলাম মরিচগাছের বেশি বেশি যত্ন নিচ্ছেন। কিন্তু মরিচ চাষের আড়ালে তিনি যে গাঁজা চাষ করছেন, সেটি এলাকার লোকজন অনেক পরে জানতে পারেন। মরিচগাছের মধ্যে বেশ কয়েকটি উঁচু গাছ দেখে গ্রামের লোকজনের সন্দেহ হয়। খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন এগুলো গাঁজার গাছ। গত শনিবার সন্ধ্যায় গ্রামের এক ব্যক্তি ফোন করে জানান, তাঁদের গ্রামে মরিচ চাষের আড়ালে এক ব্যক্তি গাঁজার চাষ করছেন। এমন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গাঁজাগাছসহ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন