বিজ্ঞাপন

জিয়াউল হাসান চৌধুরীর ভাষ্য, তাঁর ভাই কামরুল হাসান চৌধুরী ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে কাজ করেন। ওই এজেন্সির মাধ্যমে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আলফাই আল হোসাইন নামের উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দাকে আট লাখ টাকার চুক্তিতে ক্রোয়েশিয়ায় পাঠানো হয়। ক্রোয়েশিয়াপ্রবাসীর সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ ছিল। চুক্তির টাকার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার টাকা বাকি ছিল। সেই টাকা দিতে গড়িমসি করতে থাকায় ১২ মে ভাইয়ের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। আজ বৃহস্পতিবার ওই টাকার বিষয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে রাতে র‍্যাব পরিচয়ে ৮ থেকে ১০ জন বাড়ির কলাপসিবল গেট ভেঙে ঘরে ঢুকে দুই ভাইয়ের কাছ থেকে সাদা কাগজে সই নেন। এরপর তাঁদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

র‍্যাব-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রানী দাশ প্রথম আলোকে বলেন, ক্রোয়েশিয়াফেরত সীতাকুণ্ডের এক বাসিন্দা কোয়ারেন্টিন শেষ করে তাঁদের কার্যালয়ে গিয়ে কামরুল ও মঈনুলের বিরুদ্ধে মানব পাচারের অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করেন। মানব পাচারের অভিযোগের সত্যতা পেলে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা হবে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন