default-image

সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে নির্যাতনে মো. রায়হান আহমদের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মহিদুল ইসলামসহ পাঁচজনের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। গত শনিবার রাতে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ল্যাবে করোনার নমুনা পরীক্ষায় তাঁদের পজিটিভ ফল আসে।

গতকাল রোববার যোগাযোগ করলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সিলেটের এসপি মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পরিদর্শক, তাঁর সঙ্গে থাকা তিনজন পরিদর্শক ও একজন কনস্টেবলের করোনা পজিটিভ। এই পাঁচজনই হেফাজতে মৃত্যুর মামলার তদন্ত–সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তাঁদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

১০ অক্টোবর বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে মো. রায়হান আহমদকে নির্যাতন করে পুলিশ। পরের দিন ১১ অক্টোবর রায়হান মারা যান। এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানায় হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন। নগর পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে নির্যাতনের সত্যতা পাওয়ায় ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁঞাসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় ১৩ অক্টোবর থেকে মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তর করা হয়।

পিবিআই সূত্র জানায়, পুলিশ থেকে মামলাটি পিবিআইয়ে ন্যস্ত হওয়ার সময় তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হন পিবিআইয়ের পরিদর্শক মহিদুল ইসলাম। তাঁর সঙ্গে আরও তিনজন পরিদর্শক তদন্ত সমন্বয় করছিলেন। মামলার তদন্তকালে মহিদুলের শরীরে করোনাভাইরাসে সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দেয়। ২৯ অক্টোবর থেকে তাঁর জ্বর ও কাশি হলে তদন্তসংশ্লিষ্ট আরও চারজনের মধ্যে তা ছড়ায়। শনিবার সকালে তাঁরা পাঁচজন করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন।

মন্তব্য পড়ুন 0