বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রিয়াদ এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত জানিয়ে খন্দকার আল মঈন বলেন, ইভ টিজিং, উত্ত্যক্ত করা, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে রিয়াদের বিরুদ্ধে। এর আগেও তিনি ধর্ষণ করেছেন। এসব ঘটনা স্থানীয়ভাবে সালিসে মীমাংসা করা হয়েছে বলে গারো সম্প্রদায়ের লোকজন ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন। রিয়াদের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৩ জনের একটি বখাটে গ্রুপ তৈরি হয়েছে। তাঁরা চলাফেরা করেন কিশোর গ্যাং স্টাইলে। তাঁদের অধিকাংশের বয়স ১৯ থেকে ২১ বছর।

রিয়াদের বাবা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন জানিয়ে খন্দকার আল মঈন বলেন, বাবা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুবাদে রিয়াদ সুবিধা পেতে পারেন।

দুই কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গতকাল রাতে মামলার অপর পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ময়মনসিংহ জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম জানান, পাঁচ আসামিকে ময়মনসিংহ ও গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতকাল রাতে গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা হলেন শরীফ, মিয়া হোসেন, মিজান, রোকন ও হামিদ। মামলার প্রধান আসামি রিয়াদ। সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিয়াদসহ ছয় আসামির গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হলেও রিয়াদকে তারা (ডিবি পুলিশ) গ্রেপ্তার করেনি বলে জানানো হয়। মূল আসামি রিয়াদকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‌্যাব। আর মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায় ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পুলিশ সূত্র বলছে, ২৭ ডিসেম্বর রাতে প্রতিবেশীর বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে ভারত সীমান্তবর্তী ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার কাটাবাড়ি গ্রামে দুই কিশোরীকে আটকে হত্যার ভয় দেখিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন কিছু তরুণ। পরে ৩০ ডিসেম্বর ধর্ষণের শিকার হওয়া এক কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে হালুয়াঘাট থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ১০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার পর আসামিদের গ্রেপ্তার করতে স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার মানববন্ধন ও প্রতিবাদ করে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন