বাগেরহাটের মোল্লাহাটে গত শনিবার রাতে প্রতিপক্ষের বন্দুকের গুলিতে রুবেল কাজী (২৬) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। একই দিন মাগুরার মহম্মদপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আজাদ শেখ (৩৫) নামের একজন নিহত হন।
মোল্লাহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুল আলম ছানা বলেন, শনিবার সকালে উপজেলার মোল্লারকুল গ্রামের হাফিজুল খাকির ছেলে মুহিদ ও ফরিদ খাকির ছেলে খালিদের মধ্যে ব্যাডমিন্টন খেলা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। দুপুর ১২টার দিকে হাফিজুল তাঁর লোকজন নিয়ে ফরিদের বাড়িতে হামলা চালান। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ফরিদ তাঁর লোকজন নিয়ে নিজ বাড়িতে বৈঠকে বসেন। এ খবর জানতে পেরে হাফিজুল বন্দুক ও লোকজন নিয়ে দ্বিতীয় দফায় ফরিদের বাড়িতে হামলা চালাতে যান। এ সময় উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে রুবেল কাজী নিহত হন।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ন ম খায়রুল আনাম বলেন, হাফিজুল তাঁর ভাই মোশারেফ খাকির লাইসেন্স করা বন্দুক দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ফরিদের সমর্থক লায়েক কাজীর ছেলে রুবেলের বুকে তা বিদ্ধ হয়। পরে লোকজন রুবেলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় নিহত আজাদ শেখ ভাটরা গ্রামের পাশের পাল্লা গ্রামের মাজেদ শেখের ছেলে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, কিছুদিন আগে দীর্ঘা ইউনিয়নের নাগরিপাড়া মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান চলাকালে ভাটরা ও পাল্লা গ্রামের দুই দল যুবকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পাল্লা গ্রামের আজাদ শেখ চার-পাঁচজনকে নিয়ে ভাটরা গ্রাম এলাকার সড়ক দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় ভাটরা গ্রামের আলী আহমেদ লোকজন নিয়ে তাঁদের ধাওয়া করেন। পরে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালে ভাটরা গ্রামের লোকজন আজাদ শেখকে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যান। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর রাত আটটার দিকে তিনি মারা যান।
মহম্মদপুর থানার ওসি আতিয়ার রহমান বলেন, ওই ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন