নিহত ব্যক্তির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাত নয়টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের সিঙ্গার মোড়ে হাসিবুর পত্রিকা অফিসে ছিলেন। তখন মুঠোফোনে একটি কল পেয়ে অফিস থেকে বের হয়ে যান। এর পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। তাঁর মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে তাঁর পরিবার।

এর চার দিন পর গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমারখালী পৌরসভার তেবাড়িয়া এলাকায় নির্মাণাধীন গোলাম কিবরিয়া সেতুর নিচে গড়াই নদ থেকে হাসিবুরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

সাংবাদিক হাসিবুর রহমানের লাশ উদ্ধারের ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে খুনিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনকে ৩৬ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছেন সাংবাদিকেরা। এ ঘটনায় তাঁর পরিবার থানায় মামলা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

হাসিবুর কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি কুষ্টিয়া জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, স্থানীয় দৈনিক কুষ্টিয়ার খবরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি ঠিকাদারিও করতেন তিনি।

থানায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা না হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব্বিরুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া পৌর কবরস্থানে হাসিবুরের লাশ দাফন হতে পারে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন