যশোর সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে গতকাল শনিবার সুরাইয়া খাতুন (১২) নামের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। সুরাইয়া জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। সে জগন্নাথপুর গ্রামের করাতকলের শ্রমিক আকর আলীর মেয়ে।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির পাশের এক শিক্ষকের কাছে সুরাইয়া প্রতিদিন সকালে পড়তে যেত। পানের বরজ ও বাঁশবাগানের পাশ দিয়ে ওই শিক্ষকের বাড়িতে যেতে হয়।
অন্যদিনের মতো গতকাল সকাল সাতটার দিকে সুরাইয়া পড়তে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। পড়ার পর বাড়িতে ফেরার নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে না ফেরায় বাড়ির লোকজন তাকে খুঁজতে বের হন। এর মধ্যে প্রতিবেশীরা তাঁদের বাড়ির অদূরে পানের বরজের পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁরা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে বেলা দুইটার দিকে পুলিশ এসে ওই গ্রামের পানের বরজের পাশ থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় সুরাইয়ার লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনামুল হক গতকাল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর ওই মেয়েটির ব্যবহৃত ওড়না গলায় পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে লাশ সেখানে রেখে পালিয়ে যায়।
ওসি আরও বলেন, স্থানীয় বখাটেরা মেয়েটিকে ধর্ষণ করতে পারে। হয়তো বখাটেদের মেয়েটি চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন