ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় গতকাল রোববার রাতে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে লক্ষ্য করে পর পর চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছেন। তবে পুলিশ এ বিষয়ে কিছুই জানে না বলে দাবি করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম।
যুবলীগের কেন্দ্রীয় উপ-গ্রন্থনা প্রকাশনা সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে বইমেলা থেকে হেঁটে টিএসসির দিকে ফিরছিলেন ওমর ফারুক। সঙ্গে ছিলেন ২০-২৫ জন নেতা-কর্মী। টিএসসিসংলগ্ন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বুথের সামনে আসতেই পর পর চারটি ককটেল চেয়ারম্যানের পাশে এসে বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনি আহত না হলেও সঙ্গে থাকা কয়েকজন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী আরেকজন বলেন, বিস্ফোরণের পর যুবলীগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীরা এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করলেও কাউকে শনাক্ত করতে পারেননি। এ সময় সেখানে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যও ছিলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, এ ঘটনায় সাতজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাঁরা হলেন যুবলীগের নেতা সোহেল রানা (৩২), বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিমু আক্তার (১৮), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার মৃদুল কান্তি দাস (৩২), চটপটি বিক্রেতা মন্টু মিয়া (২৫), ছাত্র জয়দেব (৩২), শেখ রাসেল (২৮) ও পথচারী আবুল কাশেম (৩২)। এঁদের মধ্যে মৃদুল কান্তির দুই পায়ই ককটেলের স্প্লিন্টারের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। ভেঙে গেছে হাড়।
তবে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘আমার কাছে কেউ এ ধরনের ঘটনার কথা কিছু জানায়নি।’

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন