বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছাত্রীর অভিযোগ, ২০১৯ সালের ৮ নভেম্বর তাঁকে ওই শিক্ষক ফোন করে ব্যক্তিগত কার্যালয়ে দেখা করতে বলেন। সেখানে গিয়ে কাজের প্রসঙ্গ তুললে তিনি যৌন হয়রানি করেন। পরে চিৎকার করে পুলিশ ডাকার কথা বললে ওই ছাত্রীকে ছাড়তে বাধ্য হন। সেদিন বিভাগের চেয়ারম্যানকে জানানোর পর উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ ছাড়া বিচার করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।

এত দিন পর কেন বিচার দাবি করছেন, জানতে চাইলে শিক্ষার্থীর ভাষ্য, ‘প্রথম দিকে অভিযোগ করতে চাইলে সহপাঠীদের মাধ্যমে আমাকে নানা ধরনের ভয়, এমনকি ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে যাওয়ার ভয় দেখানো হয়। এত দিন আমি ধৈর্য ধরেছি। কিন্তু এখন আমার মানসিক অবস্থা এতটাই খারাপ যে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছি না। এই অপমান আর সহ্য করতে পারছি না। আমি এ অন্যায়ের সঠিক বিচার চাই।’

সেই শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সে আমার কোর্সের কোনো ক্লাসে অংশ না নিয়ে শেষ ক্লাসে এসে পুরো কোর্স সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁকে তিরস্কার করি, যা সাধারণভাবে শিক্ষকেরা করে থাকেন। এ বিষয়ে যে বাজে অভিযোগ করেছে তা ভিত্তিহীন, কাল্পনিক, উদ্দেশ্যপ্রসূত ও আমলযোগ্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সঠিক তদন্ত করে সত্য ঘটনা তুলে আনবে, এটা আমিও চাই।’

বিভাগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘ওই ছাত্রী আমার কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছে ছয় মাস পর। তাকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা বলা হলেও সে তা করেনি। সে অসহযোগিতা করছে।’

বিষয়টি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইমদাদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাটি তদন্তের জন্য যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই বিচার হবে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন