বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সোহেল ও ফাহিম যাত্রাবাড়ীতে কালাম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি মাছের আড়তে চাকরি করেন। আড়তের মালিক আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে জানান, বুধবার যাত্রাবাড়ী থেকে কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তে যাওয়ার জন্য শিকড় পরিবহনে ওঠেন সোহেল ও ফাহিম। বাসেই তারা অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন। বাসটি মিরপুর ১২ নম্বরে পৌঁছানোর পর বাস চালক তাদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাদের পকেটে পাওয়া কাগজে তাঁর মুঠোফোন নম্বর পেয়ে বাস চালকের সহযোগী তাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। এরপরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি হাসপাতালে গিয়ে সোহেল ও ফাহিমকে পান। সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের কিছুটা জ্ঞান ফিরে আসে।

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া আরেকজন আলী আজম রায়েরবাগের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক। তার ভাগনে মো. মানিক প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার দুপুরে তার মামা পাওনা টাকা সংগ্রহ করতে সদরঘাট যান। পরে শ্রাবণ পরিবহনের একটি বাসে করে রায়েরবাগের কর্মস্থলে ফেরার পথে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন।

মানিক বলেন, বাসটি গুলিস্তানে পৌঁছার পর সেখান থেকে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে তাকে ঘটনাটি জানান।পরে তিনি দ্রুত ছুটে গিয়ে আলী আজমকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর তার জ্ঞান ফিরে আসেন। তিনি দাবি করেন, আলী আজমের কাছ থেকে ৭৩ হাজার টাকা নিয়ে গেছে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন