গত ছয় বছরে রাজনৈতিক বিরোধ ও সহিংসতার কারণে অরাজনৈতিক খুন হয়েছে অন্তত ২৭টি। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আছে শিশু, পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষ। সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এ ধরনের অপ্রকাশিত খবরও রয়েছে।
গত বছরের ২৪ জুন চট্টগ্রামে দরপত্র নিয়ে যুবলীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলির মধ্যে পড়ে নিহত হয় শিশু আরমান। দরপত্র নিয়ে এ বছরের ২৩ জুলাই যুবলীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে পড়ে রিকশাচালক মিরাজ হোসেন নিহত হন।
ঠাকুরগাঁওয়ে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জোবায়দুল হক এবং শেরপুরে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সমর্থক দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর দুই এজেন্ট ফারুক হোসেন ও আজের উদ্দিন নিহত হন।
রাজনৈতিক ঘটনায় পড়ে আরও নিহত হয়েছে মৌলভীবাজারে শিশু লোকমান হোসেন (১৪), রাজশাহীতে পুলিশের কনস্টেবল সিদ্ধার্থ আচার্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম ও ফলবিক্রেতা এবাদত, সিরাজগঞ্জে রাজমিস্ত্রি সাকমান, শিশু সুমন সরকার (১২), সবজি ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন ও মিলন রহমান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যাত্রী নাসির উদ্দিন, সিলেটে অটোরিকশাচালক সুয়েব আহমদ, এমসি কলেজের ছাত্র তাহমিদ মোস্তফা ও ব্যবসায়ী আবদুর রহমান।
এ ছাড়া মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থীকে খুন করতে গিয়ে ভুলক্রমে তাঁর ভাতিজা দেওয়ান রুবেল হোসেনকে হত্যা করা হয়। ওই জেলায় হরতাল-সমর্থক ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের গুলিতে চারজন নিরীহ ব্যক্তি মারা যান। ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পড়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর গাজীপুরে নিহত হন সুতা ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন।
বাগেরহাটে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান খান জাহিদ হাসানের সঙ্গে তাঁর মোটরসাইকেলের চালক মুন্না এবং কুষ্টিয়ার আমবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁর দুই সঙ্গী আফজাল ও ভুট্টো খুন হন।
ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে পড়ে ২০১০ সালে নিহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র আবুবকর। সর্বশেষ ১৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন সাধারণ শিক্ষার্থী তাপস সরকার।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন