default-image

রাজবাড়ী এক নম্বর আমলি আদালতে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সোমবার মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম লাবণি আক্তার। বাদীপক্ষের আইনজীবী বিপ্লব কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি সদর উপজেলার মহম্মদপুর গ্রামের বাসিন্দা। মামলার ছয় নম্বর আসামি নুরুল হক সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
মামলার বাদী মহিউদ্দিন শেখ (৩৭)। তিনি সদর উপজেলার সিংগা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় রিকশাচালক।

বিজ্ঞাপন

মামলার আরজি সূত্রে জানা যায়, বাদী ও আসামিরা একই এলাকায় বসবাস করেন। তাদের মধ্যে বিরোধ আছে। ১ আগস্ট মহিউদ্দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি থেকে রিকশা নিয়ে বের হন। সাইফুলের নেতৃত্বে মারধরসহ তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরে তাকে ঢাকার ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিনি এক মাস ৯ দিন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরেন।
মহিউদ্দিন মামলার আরজিতে বলেছেন, বাড়ি ফিরে তিনি মামলা করতে প্রথমে থানায় যান। কিন্তু থানায় তাঁর মামলা নেওয়া হয়নি। থানা থেকে তাঁকে আদালতে মামলা করতে বলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজবাড়ী সদর থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদার।
জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার এক চাচাতো ভাইয়ের ওই রিকশাচালকের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল। মারধর করার সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার প্রক্রিয়া চলছে। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।’

মন্তব্য পড়ুন 0