রাজশাহীর দুর্গাপুরে এক স্ত্রী রাগের মাথায় তাঁর স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ স্ত্রীকে আটক করেছে। গত শনিবার রাতে উপজেলার মাহিপাড়া আদিবাসী খ্রিষ্টানপল্লিতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম তাপস পান্না (৩৫)। তাঁর বাড়ি উপজেলার কলেজপাড়া গ্রামে। তাঁর স্ত্রী তৃণা লাকড়ার (৩৩) বাড়ি মাহিপাড়া খ্রিষ্টানপল্লিতে। বিয়ের পর থেকে স্বামী তাপস স্ত্রীর বাবার গ্রামেই বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিমল কুমার চক্রবর্তী জানান, শনিবার রাতে তাপস আর তৃণার মধ্যে পারিবারিক বিষয়ে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে হাতের কাছে থাকা হাঁসুয়া দিয়ে তৃণা তাঁর স্বামীকে কুপিয়ে জখম করেন। আহত অবস্থায় পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে রাত একটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই তৃণাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর তৃণা স্বামীকে কুপিয়ে জখম করার কথা স্বীকার করে বলেন, হত্যা করার জন্য তিনি কোপ দেননি। রাগের মাথায় কোপ দিয়েছেন। স্বামী মারা যাবেন তা ভাবেননি।
এ ঘটনায় তাপস পান্নার ভাই রূপস পান্না বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আদিবাসীর লাশ উদ্ধার: নওগাঁর পত্নীতলায় আত্রাই নদী থেকে গতকাল রোববার কিনু ওঁরাও (৬৫) নামের এক আদিবাসীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার পত্নীতলা ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের বাসিন্দা। পত্নীতলা থানার ওসি আবদুর রফিক জানান, সকালে উপজেলার কাঁটাবাড়ী ঘাটে লাশটি ভাসতে দেখে গ্রামবাসী পুলিশকে খবর দেন। পত্নীতলা সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য দিনোমনি তিগ্যা জানান, কিনু ওঁরাও ও তাঁর দুই বন্ধু গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নজিপুর ইউনিয়নের ভূতপাড়া গ্রামে যান। অন্যরা বাড়ি ফিরে এলেও কিনু ওঁরাও সেখানে থেকে যান। দুপুরে তাঁর লাশ পাওয়া যায়।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন