বিজ্ঞাপন

সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ১২ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় একজনের ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ মামলা তদন্ত করতে গিয়ে সগির ও সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসা করে জাকির নামের একজনের নাম জানা যায়। জাকিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরিফের নাম জানা যায়। পরে আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বলেন, আরিফের ল্যাপটপ অনুসন্ধান করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এর মুঠোফোনের একটি ছবি পাওয়া যায়। পরে আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জীবনের নাম পাওয়া যায়। আর জীবনকে গ্রেপ্তার করার পর পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের চুরি হওয়া আইফোনটি উদ্ধার করা হয়।

ডিসি সাজ্জাদুর রহমান বলেন, জীবনের কাছ থেকে আরও কয়েকটি চোরাই মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রীর মুঠোফোনটি কে ছিনতাই করেছিল, এমন প্রশ্নের তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা মন্ত্রীর মুঠোফোনটি উদ্ধারের পর আমরা মিরপুর বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা জানিয়েছে, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এর মুঠোফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজনকে তারা গ্রেপ্তার করেছে। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় আমরা এখনো জানতে পারিনি। তবে আমরা ধারণা করছি, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের মুঠোফোন ছিনতাইয়ের সঙ্গে ছগির ও সুমন জড়িত ছিলেন।’

এর আগে গত ৩১ মে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে বের হয়ে বিজয় সরণির ট্রাফিক সিগন্যালের যানজটে আটকা পড়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে বহনকারী গাড়িটি। তখন গাড়ির গ্লাস খুলে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন মন্ত্রী।

এ সময় হঠাৎ এক ছিনতাইকারী মুঠোফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পরপরই পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের ব্যক্তিগত সহকারী কাফরুল থানায় একটি মামলা করেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন