বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, মালেক হত্যার ১১ দিন পর গতকাল রাতে সন্দেহভাজন হিসেবে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চাচাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন সোহেল রানা। জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল জানান, তাঁর একটি শারীরিক সমস্যা নিয়ে চাচা প্রায় সময়ই উপহাস করতেন। সেই থেকে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে তিনি চাচাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজার থেকে একটি হাতুড়ি কিনে আনেন। এরপর সুযোগ বুঝে বাড়ির উঠানে বসে থাকা অবস্থায় চাচার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে সোহেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়িটি পাশের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

হাতীবান্ধা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সোহেল রানা তাঁর চাচার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁকে আজ লালমনিরহাট আদালতে পাঠানো হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, ঘটনার দিন রাতে গরমের কারণে বাড়ির সামনে উঠানের একটি ঘরে আবদুল মালেক একা বসে ছিলেন। এ সময় অতর্কিতে হামলা চালিয়ে তাঁর মাথার পেছনে আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান। পরে পরিবারের লোকজন বাড়ির বাইরে বের হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মালেককে পড়ে থাকতে দেখেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন