বিজ্ঞাপন

দণ্ডিত ওই সাত আসামি হলেন আবদুস সাত্তার, গোলাস রসুল, আব্দুস সামাদ, জহিরুল ইসলাম, রাকিব, শাহাবুদ্দিন ও মনিরুল ইসলাম। ২৫ মে হাইকোর্ট ওই মামলায় এই সাত দণ্ডিতকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন। এ আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে, যা আজ চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন।

পরে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, সাত দণ্ডিতের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। ফলে, তাঁরা কারামুক্তি পাচ্ছেন না।

সাতক্ষীরার কলারোয়ার এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয় ২০০২ সালে। ওই বছরের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ওই মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখতে যান শেখ হাসিনা। এরপর সেখান থেকে তিনি মাগুরায় যাচ্ছিলেন। তাঁর গাড়ি কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা লাঠিসোঁটা, ধারালো অস্ত্র, বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এই হামলা শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। তবে অনেকে আহত হন।

এই ঘটনায় হওয়া তিনটি মামলার মধ্যে একটির রায় হয় গত ৪ ফেব্রুয়ারি। বিএনপির সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ তিনজনের সর্বোচ্চ ১০ বছর করে এবং অপর ৪৭ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডিতরা সাতক্ষীরার দায়রা আদালতে আপিল করে জামিন চান। তাঁদের জামিন নামঞ্জুর হলে দণ্ডিত আসামিরা জামিন চেয়ে হাইকোর্টে পৃথক আবেদন করেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন