অবরোধ-হরতালের কারণে বগুড়ার শেরপুরে কমে গেছে জমিসহ সম্পত্তির কেনাবেচা। এতে এই খাত থেকে রাজস্ব আয় কমছে।

উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জানুয়ারি মাসে সম্পত্তি কেনাবেচায় নিবন্ধন (কবলা) দলিল হয়েছে ৮৮৮টি। এর বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৫৩ লাখ ৭৫ হাজার ৭৪৫ টাকা। কিন্তু ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে ওই কার্যালয়ে ১ হাজার ৩৪৮টি দলিল নিবন্ধনের বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৯১ লাখ ৮৮ হাজার ১৮৮ টাকা। এর আগে ২০১২ সালে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের নিবন্ধন করা দলিলের বিপরীতে রাজস্ব আদায় ছিল ১০ কোটি ৩২ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৯ টাকা। কিন্তু ২০১৩ সালের শেষ তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে রাজস্ব আয় ২০১২ সালের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা কমে যায়।

গতকাল সোমবার উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, জমি কেনাবেচাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনাগোনা নেই। কাজের চাপ না থাকায় কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অলস সময় পার করছেন। দলিল লেখকেরাও তাঁদের সেরেস্তায় বসে সময় পার করছেন।

শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. ফেরদৌস বলেন, সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে ১৮০ জন দলিল লেখক আছেন। এ ছাড়া দলিল লেখকদের সহকারী রয়েছেন প্রায় সমান সংখ্যক। চলমান অবরোধ-হরতালের কারণে দলিল নিবন্ধন কমে যাওয়ায় তাঁরা সবাই আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন।

অরূপ দাস, ছানোয়ার হোসেনসহ কয়েকজন স্ট্যাম্প বিক্রেতা বলেন, দলিল কম হওয়ায় তাঁদেরও স্ট্যাম্প বিক্রি কমে গেছে। ফলে তাঁদেরও আয় কমে গেছে।

উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মফিজুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তাঁর দপ্তরে রাজস্ব আদায় কম হচ্ছে। এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে রাজস্ব আদায় আরও কমে যাবে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন