বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কয়েক দিন আগে একই অভিযোগে রবিনের শ্বশুর নুরুল হুদাকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি এখন কারাগারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ঢাকা মেট্রো উত্তরের কর্মকর্তারা রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক কেজি আইস উদ্ধার করেন এবং সংঘবদ্ধ চক্রকে শনাক্ত করেন। পরে ধারাবাহিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয় মাদক কারবারিদের। এর অংশ হিসেবে ঢাকা মেট্রো উত্তরের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে একটি দল আজ মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটির রবিনের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬ হাজার ৫০০ ইয়াবা, ১৭০ গ্রাম আইসসহ রবিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে রবিনের তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিম ধানমন্ডিতে তাঁর শাশুড়ি আরাফা আক্তারের বাসায় অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৩০০ ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম আইস উদ্ধার করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, উদ্ধার হওয়া মাদকের দাম প্রায় এক কোটি টাকা। তিনি বলেন, আদাবরে আগে রবিনের কাপড়ের দোকান ছিল। দুই বছর আগে বিয়ে করে তিনি তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ির মাদক কারবারি চক্রে জড়ান।

মেহেদী হাসান বলেন, জামাতা, শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে টেকনাফ থেকে ইয়াবা ও আইসের চালান এনে মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিলেন। এই চক্রে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গত দুই মাসেই এ নিয়ে ২০ জনের বেশি আইস কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো উত্তরের কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মঙ্গলবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো উত্তরের কর্মকর্তারা রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, গেন্ডারিয়া, রমনা ও তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার ৬০০টি ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁরা হলেন মো. ইব্রাহিম (৩১), গৌরাঙ্গ সাহা বাবু (৪৪), হৃদয় পোদ্দার (২৭), মনজুর আলম (২৮)।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন