দুর্বৃত্তদের নাশকতার কারণে গাড়ি থেকে যদি যাত্রীর পোশাকে আগুন ধরে যায়, তাহলে দৌড় দেওয়া ঠিক নয়। এতে অক্সিজেনের সংস্পর্শে আগুন আরও বেড়ে যেতে পারে। পোশাকে আগুন লাগলে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে হবে—নাশকতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মহড়ায় কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক কামাল উদ্দিন এ পরামর্শ দিয়েছেন।

টানা অবরোধ-হরতালে পেট্রলবোমা, আগুন ও গণপরিবহনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ বিষয়ে গতকাল সোমবার দুপুরে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মাঠে সচেতনতামূলক মহড়া হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজার সেক্টর এ মহড়ার আয়োজন করে।

মহড়ায় গণপরিবহনে নাশকতা ঘটলে তাৎক্ষণিক অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা, উদ্ধার তৎপরতা এবং পেট্রলবোমায় আহত রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও হাসপাতালে পাঠানোর বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে ধারণা দেন কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। এ সময় পরিবহনমালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মো. খালেকুজ্জামান বলেন, কক্সবাজারে নাশকতাকারীদের ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। দফায় দফায় পরিবহনশ্রমিক ও মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার-ঢাকা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল সচল রাখা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন, পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন