উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যকালে একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে (ক্লিনিকে) অস্ত্রোপচার করছিলেন কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) রাকিব উদ্দীন। গতকাল রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকুল উিদ্দন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাহেলা আক্তার তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আরএমও রাকিব উদ্দীন গতকাল সকাল ১০টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাইরে চলে যান। পরে জানা যায়, তিনি কুমারখালী শহরে একটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার করছেন। এরপর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের লোকজন ওই ক্লিনিকের সামনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে তাঁরা ইউএনওকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানান। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আকুল উদ্দিন ও সাহেলা আক্তার সেখানে যান।
ইউএনও জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে রাকিব উদ্দীনকে পাওয়া যায়নি। পরে ওই ক্লিনিকেই তাঁকে পাওয়া যায়। অফিস সময়ে ক্লিনিকে চিকিৎসককে পাওয়া গেছে এটাই বড় অপরাধ। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে।
রাকিব দাবি করেন, ক্লিনিকের ওই রোগী তাঁর আত্মীয়। তাঁকে সেবা দিতে গিয়েছিলেন। তবে ক্লিনিকের মালিক আবদুল আলীম শেখ বদর প্রথম আলোকে বলেন, সকাল নয়টার দিকে প্রসূতির অস্ত্রোপচার করতে রাকিব ক্লিনিকে আসেন। এ কাজে ১০টা বেজে যায়। পরে ইউএনও এসে তাঁকে নিয়ে গেছেন। অস্ত্রোপচারের রোগী রাকিবের আত্মীয় নন বলেও জানান আবদুল আলীম।
আকুল উদ্দিন বলেন, ‘আমার নির্দেশ অমান্য করে রাকিব ক্লিনিকে গিয়েছিলেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সিভিল সার্জন বরাবর চিঠি দেওয়া হয়েছে।’
সিভিল সার্জন মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘চিঠি পেয়েছি। বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন