পৃথক তিনটি অভিযোগ অনুসন্ধানে সাবেক এক সাংসদ ও সাতজন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা-২ আসনের জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ এম এ জব্বারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান।
গত বছরের ১৩ অক্টোবর রমনা মডেল থানায় জব্বার ও তাঁর ছেলে মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক। এজাহারে বলা হয়, জব্বার ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং মাহবুব হোসেন ১৯ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন।
কৃষি ব্যাংক থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনা অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মোক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের উপপরিচালক সেলিনা আখতার।
দুদক সূত্র জানায়, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ভুয়া সম্পত্তি ব্যাংকে বন্ধক রেখে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে কৃষি ব্যাংকের এজিএম এজহারুল হক ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ অনুসন্ধানে মোক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এদিকে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে আনন্দ শিপইয়ার্ডের প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনা অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে জনতা ব্যাংকের সাবেক ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের উপপরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল ।
এই ছয়জন হলেন জনতা ব্যাংকের স্থানীয় শাখার সাবেক কর্মকর্তা মো. মুশফিকুর রহমান, এম এ মতিন, ইসরাফিল সিকদার, মো. মাহফুজুর রহমান, পুর্ণেন্দু কুমার রায় ও সাগর আহমেদ।
দুদক সূত্র জানায়, আনন্দ শিপইয়ার্ডকে জনতা ব্যাংকের স্থানীয় শাখা থেকে ২৩৮ কোটি ৮ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার বিষয়ে এসব কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন