ঢাকার সাভারে পুলিশের এক কর্মকর্তা, এক কনস্টেবলসহ তিনজনকে কুপিয়ে গ্রেপ্তার করা আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আসামির স্বজনেরা এ হামলা চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার পৌর এলাকার মজিদপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
আহত তিনজন হলেন সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদি হাসান, কনস্টেবল মো. সুমন ও পুলিশের তথ্যদাতা আমিনুল ইসলাম।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এসআই তিন কনস্টেবলসহ তথ্যদাতা আমিনুলকে নিয়ে গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে মজিদপুর এলাকায় খাজা নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে যান। খাজাকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাঁকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার সময় তাঁর (খাজার) স্বজনেরা পুলিশের ওপর হামলা চালান। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তিনজনকে জখম করে খাজাকে ছিনিয়ে নেন তাঁরা। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এনাম মেডিকেলের অস্ত্রোপচার কক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, এসআই মেহেদি হাসানের বাঁ হাত ও গলায়, সুমনের মাথা ও বাঁ হাতে এবং আমিনুলের মাথা ও গালে কোপ লেগেছে। তাঁদের মধ্যে সুমন ও আমিনুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বলেন, ২০১২ সালের একটি মামলায় খাজার নামে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ওই পরোয়ানা তামিল করতে খাজার বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। ঘটনার পর মজিদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। খাজাসহ হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন